Categories
অনলাইন ইনকাম

গুগল এডসেন্স অ্যাপ্রুভ করানোর টিপস

হ্যালো! আমি মোহাম্মদ অমুক। সবাই কেমন আছেন? আশা করি ভাল আছেন। আমরা যারা অনলাইনে এই নামের সাথে জড়িত তারা অনেকেই জানি গুগল এডসেন্স এটা কি এটার কাজ কি। গুগল এডসেন্স এর সাথে পরিচিত না এমন মানুষ গুলো অনলাইন জব এর সাথে মোটেও পরিচিত না বলে আমি মনে করি। অধিকাংশ ইনকামের জন্যই প্রয়োজন হয় গুগল এডসেন্স মূলত আমরা আজকে আলোচনা করব গুগল এডসেন্স নিয়েই এটা কিভাবে আপনার ওয়েবসাইটে অ্যাপ্রুভ করাবেন এবং কি কি জিনিস লাগবে এটা অ্যাপ্রুভ করার জন্য সমস্ত বিষয় নিয়ে আপনাদের সাথে আছি আমি অমুক।

What Is Google Adsense- গুগল এডসেন্স কি?

ভাই গুগল এডসেন্স এটি একটি গুগলের সার্ভিস এটার মাধ্যমে গুগোল সমস্ত ওয়েবসাইটে এবং ইউটিউব চ্যানেলে বিজ্ঞাপন দেখিয়ে থাকে। এটা মূলত ইউটিউব চ্যানেল ওয়েবসাইট এগুলোতে অ্যাপ্রুভ দিয়ে থাকে। তবে এটি অ্যাপ্রুভ পাওয়ার টা অনেকটা কষ্টসাধ্য হয়ে থাকে সহজে চাইলেই এক রূপ পাওয়া যায় না। এটার জন্য তাদের নির্দিষ্ট যে রিকোয়ারমেন্ট রয়েছে সেগুলো পূরণ করতে হবে।

তাহলে চলুন আমরা জেনে নেই ওয়েবসাইটে গুগল এডসেন্স অ্যাপ্রুভ করার জন্য তাদের কি কি রিকোয়ারমেন্ট এবং আমরা তাদের রিকোয়ারমেন্ট গুলো কিভাবে পূরণ করে এপ্লাই করব সমস্ত বিষয় গুলো আলোচনা করার চেষ্টা করব। মনে রাখবেন এই আর্টিকেলটি কেবলমাত্র প্রকাশিত টু টেকার ওয়েবসাইট থেকে এটি কপি করা দন্ডনীয় অপরাধ।

প্রথমতঃ তাদের রিকোয়ারমেন্ট অনুযায়ী আপনার ওয়েবসাইটে অ্যাডসেন্স অ্যাপ্রুভ করার জন্য মিনিমাম আপনার ওয়েবসাইটে ৩০-৩৫-টি ইউনিক, কোয়ালিটিফুল, মানসম্মত এবং প্রত্যেকটা আর্টিকেল ৫০০-৭০০ ওয়ার্ড হতে হবে।

দ্বিতীয়তঃ (অপশনাল) আপনার যে ডোমেইন এর মাধ্যমে এপ্রুভ করবেন সেই ডোমেইনটি মিনিমাম কয়েকমাসের পুরনো হতে হবে অর্থাৎ এই ডোমেইনটি লাইভ ছিল এমন কয়েক মাস থাকতে হবে। প্রিমিয়াম টেম্পলেটগুলো ওয়েবসাইটের জন্য ব্যবহার করতে পারেন। ভালো কোয়ালিটির সার্ভার ব্যবহার করতে পারেন।

তৃতীয়তঃ ওয়েবসাইটটিকে এডসেন্স ফ্রেন্ডলি ডিজাইন করতে হবে সাথে মোবাইল ফ্রেন্ডলি হতে হবে। অর্থাৎ মোবাইলে ভিজিট করা মাত্রই যেন এটাকে অনেক ভালো কিংবা সুন্দর লাগে এমন ভাবে তৈরি করতে হবে। (এজন্য ডেভলপারের সহযোগিতা নিতে পারেন) মিনিমাম আপনার ওয়েবসাইটে ৭-৮-টি ক্যাটাগরি থাকতে হবে এবং প্রত্যেকটা ক্যাটাগরিতে মিনিমাম ৫-৮টি করে আর্টিকেল রাখতে হবে।

চতুর্থতঃ প্রত্যেকটা আর্টিকেলের জন্য ইউনিট, কোয়ালিটি ফুল, স্পষ্ট, কঁপিরাইট ফ্রী ইমেজ ব্যবহার করতে হবে। প্রত্যেকটা ইমেজ একটা নির্দিষ্ট সাইজে ব্যবহার করতে হবে। অর্থাৎ সবগুলো ইমেজ এর সাইজ একই থাকতে হবে। আপনি চাইলে ইমেজগুলো গুগল থেকে ডাউনলোড করেও সেগুলো কে সুন্দর ভাবে এডিট করে নিজের মতো করে ব্যবহার করতে পারেন।

পঞ্চমতঃ “পেইজ তৈরি করা” আপনার ওয়েবসাইটের জন্য কিছু নির্দিষ্ট পেইজ আপনাকে লিখতে হবে যেমন- “এবাউট, কন্টাক, প্রাইভেসি পলিসি, ডিসক্লেইমার” মনে রাখবেন পেইজগুলো আপনার নিজের লেখা হতে হবে। এবাউট পেইজে আপনার ওয়েবসাইট এবং আপনাদের সম্পর্কে মিনিমাম বড় একটা লেখা লিখতে হবে এছাড়া কন্টাক্ট এই যে আপনাদের সাথে কন্টাক্ট করার জন্য সহজ মাধ্যম গুলো ব্যবহার করতে হবে।

ষষ্ঠঃ ওয়েবসাইটের সমস্ত আর্টিকেলগুলো গুগলে ইনডেক্স থাকতে হবে, যথাসম্ভব দ্রুত গুগলে ইনডেক্স করার সিস্টেম ব্যবহার করতে পারেন। ওয়েবসাইটের মান বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন ফিচার ব্যবহার করতে পারেন। যেমন- “ইনস্ট্যান্ট ইনডেক্সিং, গুগোল নিউজ” এগুলো। আপনার তৈরি করা পেইজ গুলো গুগলে ইনডেক্স থাকতে হবে বিশেষ করে “অ্যাবাউট এবং কন্টাক্ট পেজ” থাকতেই হবে।

সপ্তমঃ (অপশনাল) আপনার ওয়েবসাইটে প্রত্যেকদিন গুগল থেকে আসা কিছু ভিজিটর এবং সোশ্যাল মিডিয়া থেকে আসা কিছু ভিজিটর থাকতে হবে। ভিজিটর গুলো ইউনিক হলে বেশি ভালো হবে। ভিজিটর আনার জন্য থার্ড পার্টি কোন মাধ্যম ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

অষ্টমঃ আপনার ওয়েবসাইটের সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আপনার একটা ডিভাইস থেকে জিমেইল তৈরি করতে হবে এবং অ্যাডসেন্স অ্যাকাউন্ট তৈরি করে আপনার ওয়েবসাইটের জন্য গুগলের কাছে এপ্লাই করতে হবে। মনে রাখবেন যে ডিভাইস থেকে এডসেন্স একাউন্ট তৈরি করবেন সেই ডিভাইসে কোন এডসেন্স পূর্বে যদি অ্যাপ্রুভ পেয়ে থাকেন তাহলে পরবর্তীতে আর অ্যাপ্রুভ দিবানা।

উপরে লেখা সকল বিষয়গুলো ঠিকঠাকভবে আপনার ওয়েবসাইটে থাকলে ইনশাআল্লাহ ০৭-১৪ দিনের মধ্যে অ্যাডসেন্স অ্যাপ্রভ হয়ে যাবে। পরবর্তীতে আমরা আলোচনা করব অ্যাডসেন্সে অ্যাপ্রভ হওয়ার পরে সেটাকে শত্রুর হাত থেকে রক্ষা করার জন্য কি ধরনের প্রটেক্টর ব্যবহার করা যেতে পারে সে বিষয় নিয়ে। আমাদের পরবর্তী আর্টিকেল খুব শিগগিরই প্রকাশিত হবে তাই নিয়মিত আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করুন এবং প্রত্যেকটা আর্টিকেল আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না। ধন্যবাদ।

Leave a Reply

Your email address will not be published.