Categories
গভ নিউজ

ইউটিউব থেকে কতটি উপায়ে ইনকাম করা যায়

আসসালামুআলাইকুম বন্ধুরা! কেমন আছেন সবাই আশা করি ভাল আছেন? আলহামদুলিল্লাহ আপনাদের দোয়ায় আমিও ভালো আছি সুস্থ আছি। আজকে ইউটিউবারদের মনে ঘুরপাক খাওয়া কমন একটি প্রশ্নের উত্তর দিব। প্রশ্ন টি হল ইউটিউব থেকে কয়টি উপায়ে ইনকাম করা যায় এবং উপায় গুলো কি কি? বন্ধুরা এমন অনেকেই আছেন যারা ইউটিউবিং করেন কিন্তু জানেন না, যে ইউটিউব থেকে কয়টি উপায়ে ইনকাম করা যায় ইউটিউব থেকে শুধুমাত্র এডসেন্স থেকে ইনকাম করা যায় ব্যাপারটা এরকম না এডসেন্স এর বাহিরেও আরো অনেকগুলো উপায় রয়েছে যেগুলোর থেকে আপনার ইনকাম করতে পারেন।

সেই উপায় গুলি বিস্তারিত আপনাদের সামনে আজকে আমি তুলে ধরবো, বন্ধুরা প্রথমেই রয়েছে গুগল এডসেন্স যেটা বাংলাদেশের সবচাইতে বেশি পরিচিত এবং যেই উপায় বেশিরভাগ মানুষ ইনকাম করে থাকে। তবে এটাই একমাত্র উপায় নয়, গুগল এডসেন্স যারা বোঝে না তাদেরকে একটু সহজে বলে দেই। আপনারা অনেক সময় ইউটিউব দেখার সময় যে অ্যাডগুলো আসে সেই এড গুলো সাধারনত গুগল এডসেন্স থেকে আসে সেই এড এর বিনিময় যে ভিডিওটি আপলোড করেছে বাজার চ্যানেলে ভিডিওটি আপলোড করা হয়েছে সে কিছুটা প্রফেট পায় এটাই হলো গুগল এডসেন্স থেকে ইনকাম।

২ নম্বরে রয়েছে স্পনসর্শিপ। বন্ধুরা স্পনসর্শিপ বলতে আপনারা অনেক সময় হয়তোবা অনেক ইউটিউবারের রিভিউ দেখেছেন তারা যে প্রোডাক্টগুলো রিভিউ করে সে প্রোডাক্টগুলো কিন্তু তারা এমনিতেই রিভিউ করে না। সে প্রোডাক্টগুলো রিভিউ করার জন্য প্রোডাক্ট এর মালিকের কাছ থেকে অনেক টাকা নিয়ে থাকে। আবার অনেক সময় এমনটা হয় যে সে যে প্রোডাক্টটা রিভিউ করে সেটা তাকে ফ্রিতে দিয়ে দেয়।

৩ নম্বরে রয়েছে প্রোডাক্ট বিক্রি। বন্ধুরা অনেকেরই আছে নিজের প্রোডাক্ট আছে সেটা চাইলে আপনি আপনার ইউটিউব ভিডিওতে প্রমোট করে বিক্রি করতে পারবেন সেক্ষেত্রে আপনার এখানে হিউজ পরিমান ইনকাম থাকবে। যেমন আপনার যদি একটা মোবাইলের দোকান থাকে বা আপনার যদি একটা কম্পিউটারের দোকান থাকে আপনি আপনার ইউটিউব ভিডিওর মাধ্যমে আপনার সেই মোবাইলের দোকান বা কম্পিউটারের দোকান থেকে কুরিয়ারে বিক্রি করতে পারবেন।

৪ নম্বরে রয়েছে এফিলিয়েট মার্কেটিং। বন্ধুরা আপনারা হয়তো অনেকেই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং সম্পর্কে জানেন আবার অনেকেই জানেননা যারা জানেননা তাদের জন্য সংক্ষেপে বলে দেই। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হলো অন্যের জিনিস বিক্রি করা যেমন আপনি আপনার চ্যানেলে একটা জিনিসের রিভিউ করলেন এবং সেটা কিভাবে কিনতে হবে এবং সেই প্রোডাক্ট এর লিঙ্ক আপনি আপনার ভিডিও ডেসক্রিপশন বক্সে দিয়ে দিলেন। আপনার সেই ডেসক্রিপশন বক্সে দেওয়া লিংকে যদি কেউ ক্লিক করে কোন প্রোডাক্ট কিনে তাহলে নির্দিষ্ট পরিমাণে এমাউন্ট আপনি কমিশন হিসেবে পাবেন। এটাই হলো মূলত অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং। যারা বড় বড় ইউটিউবার রয়েছেন তারা কিন্তু এফিলিয়েট মার্কেটিং থেকে হিউজ পরিমান টাকা ইনকাম করে।

৫ নম্বরে রয়েছে সুপার্চাট যেটা বাংলাদেশ একেবারেই পরিচিত নয় বা বাংলাদেশেই উপায়টা মানুষ খুব কম এপ্লাই করে এপ্লাই করে না বললেই চলে।

তারপরও আমি আপনাদেরকে সুপার চেয়ার বিষয়টা একটু বুঝিয়ে দেই, সুপার্চাট হলো আপনারা যখন লাইভে যাবেন অর্থাৎ একজন ইউটিউবার যখন লাইভে যায় তখন কিন্তু তার সেই ভিডিওটা অনেক মানুষ দেখে তার ভিডিওটা দেখার সময় সেখানে। অনেকে কমেন্ট করে কেউ যদি তাকে ডোনেট করে অর্থাৎ টাকা দেয় তাহলে সেই কমেন্ট গুলোর মধ্যে যে টাকা দিবে তার কমেন্ট আসে উপরে একেবারে উপরে পিন করে রাখবে। এতে করে সেই ইউটিউবারের নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা থাকে দিবে।

এরকম ইউটিউব থেকে ইনকাম করার আরো অনেক উপায় রয়েছে যেগুলো বাংলাদেশ ততটা পরিচিত না। আমি উপরে যেই বিষয় গুলোর কথা বললাম সাধারনত এই উপায়গুলি বাংলাদেশের ইউটিউবাররা ফলো করে থাকেন।

আপনার যদি ইউটিউব সম্পর্কে আরও কিছু জানার আগ্রহ থাকে তাহলে অবশ্যই আমাদের আর্টিকেলে কমেন্ট করবেন আমরা আপনাদেরকে কমেন্টে জানিয়ে দিবো। তাছাড়া আপনারা চাইলে আমাদের সাথে আমাদের সোশ্যাল মিডিয়াতেও কানেক্ট হতে পারেন সেখানে আমাদেরকে সরাসরি প্রশ্ন করে আপনার প্রশ্নের উত্তর জেনে নিতে পারেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.